![]() | ||||
| জোকার জোকার আর জোকার বাংলাদেশে জোকারের আর শেষ নেই । যে বলে জোকার সেই-ই হয় জোকার। বলুন তো কথাটা ঠিক কি না। কথাটা ভাল ভাবে বুঝতে সব টুকু পড়ুন। |
.:: হাসতে হাসতে মারা গেলে লেখক দায়ী নহে ::.
|
ভবিষ্যতে দেখা যাবেঃ
আওয়ামীলীগ সরকার পেদেছেঃ- জামাত শিবির হরতাল ডেকেছে। বি.এন.পি পুর্ন সমর্থন দিচ্ছে। জনগনঃ .....। বি.এন.পি পেদেছেঃ- আওয়ামি বলবেঃ যুদ্ধ অপরাধীর বিচার বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে। যতই চেষ্টা করেন, যুদ্ধঅপরাধীদের আপনি বাচাতে পারবেন না। জনগনঃ .....। জামাত পেদেছেঃ- বি.এন.পি বলবেঃ আহ কি সুগন্ধ!!! দরকার আছে। আওয়ামি বলবেঃ দেশে জঙ্গি সংগঠন গড়ে উঠেছে, এখনি নির্মুল করা দরকার। জনগনঃ ....। এরশাদ পেদেছেঃ- আওয়ামি বলবেঃ আহ কি সুগন্ধ!!! আস ভাই আমাদের দলে। বি.এন.পি বলবেঃ আহ কি সুগন্ধ!!! আস ভাই আমাদের দলে। জামাত বলবেঃ আহ কি সুগন্ধ!!! আস ভাই আমাদের দলে। জনগনঃ ....। ---- এরশাদ বলবেঃ না না, যে আমাকে দেবে, তার দলে আছি। দেশের জনগন সবসময় নিশ্চুপ। কিছুই বলবেনা। |
রায় হবে --- হরতাল
রায় কেন হবে না --- হরতাল রায় দিলো কেন --- হরতাল রায় দিলো না কেন --- হরতাল কি রায় দিলো --- হরতাল ফাঁসি দিলো --- হরতাল ফাঁসি কেন দিলো না -- হরতাল যাবজ্জীবন কেন দিলো --- হরতাল যাবজ্জীবন কেন দিলো না --- হরতাল - হরতাল দিয়া যদি দেশ উদ্ধার করা যায় , তবে হরতাল ভালো তো ভাল না !! চুতিয়াই এই দেশটা ভরে গেছে , এই দেশ নিয়ে সব শালারা চুদুর_বুদুর শুরু করছে । লাইক না দিলে আমিও একটা হরতাল দিব
.............................................
তেতুল খাইতে মন চাইতেছে, কি করি? এই রাইতে তেতুল কই পামু।
মন যেহেতু চাইছে, তাই গেলাম তেতুলের সন্ধানে, দেখি কোথাও পাওয়া যায় কিনা। খুজতেছি, খুজছি, ...... খুজতে খুজতে খুজতে খুজতে খুজতে পাইলাম প্রান তেতুলের চাটনি। ঐটাই নিয়ে আসলাম, রুমে বইয়া বইয়া খাইলাম। আহ কি ফিলিঙ্কসসসসসসসসসসসস। জিভ জলে ভরে গেল। আহ!!!!!!! |
|
|
|
|
-আপনি কি মেধাবী?
- হ্যা -আপনার বাবার কি মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট আছে? -না ... -আপনি কি নারী? ... -না -আপনি কি উপজাতী? -না -আপনি কি প্রতিবন্ধী? ... -না -আপনার কি ক্ষমতাধর মামা চাচা আছে? -না -আপনার বাবার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স কি স্বাস্থবান? -না তাহলে আপনার জন্য কিছু দুঃসংবাদ আছে, বাংলাদেশে সরকারী চাকরীর ক্ষেত্রে ৫৫ভাগ বরাদ্ধ থাকে বিভিন্ন কোটার জন্য। ৩০% মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য, ১০%নারীদের জন্য, ১০% উপজাতীদের জন্য, ৫% প্রতিবন্ধী ওঅনান্যদের জন্য। ভাবছেন ৪৫ ভাগ আছেযোগ্যদের জন্য? না, ভুল করলেন, এখানেও কিছু অলিখিত কোটা থাকে, যেমন ধনী কোটা, মামা চাচা কোটা, তারপর প্রশ্ন ফাসতো আছেই। এখন মেধা দিয়ে আপনি বাসায় বসে মুড়ি চাবান। এমন অদ্ভুত কোটা পদ্ধতি পৃথিবীর আর কোনো দেশে আছে কিনা আমার জানা নেই। ছোটবেলায় শেখা সেই প্রবাদটিকে মনে হয় পরিবর্তন করারসময় এসেছে, "লেখাপড়া করে যে, লোকাল বাসে চড়ে সে" মামা চাচা আছে যার, সে চড়ে প্রাইভেট কার" |
কাল দুপুরে, ঝিম ঝিম করে বৃষ্টি
হচ্ছে, আমি বাস
এর জানালা দিয়ে বাইরের বৃষ্টি উপভোগ করছিলাম,
বাস টা তখুন টাঙ্গাইল এ
ঢুকছে,
রাস্তার কাজ চলছে তাই অনেক জাইগা ভাঙা, এমন এক জাইগা
আসলো যেখানে
রাস্তার ঐ পাশে যেতে হবে কিন্তু মাঝে একটা পানি ভর্তি গর্ত
পরল। ড্রাইভার বাস
থামাই দিলেন, বুঝতে পার করবেন বাস টা কে!! তখুন পাশে এক
জন
আর্মি দাড়িয়ে ছিলেন, ওনার
উনিফ্রম দেখে বুঝলাম উনি আর্মির এম পি(
মিলিটারি পুলিশ ) , আর্মি তে এদের অনেক ভয় করে সবাই!!
কারণ এরা রিপোর্ট
করলে অবস্তা খারাপই আছে, যাই হোক উনি এগিয়ে এসে ড্রাইভার কে জিজ্ঞাস
করেলন
কি হইছে ভাই? ড্রাইভার সব খুলে বলল, তখুন তিনি বৃষ্টি তে ভিজে একটা বড় ইট
এর টুকরা
তুলে এনে ঐ গর্তে দিলেন দিয়ে বাস টা কে পার করালেন!! উনি নিজেই
সব কিছু করলো,আমাদের বাস এর
হেল্পার কেউ তিনি ওটা করতে বলতে পারতেন কিন্তু
উনি নিজেই করলেন!! ওনা কে আমি সন্মান
জানাতে স্যালুট করলেন উনিও খুশি হইয়ে
আমার স্যালুট এর জবাব দিতে আমাকে স্যালুট করলেন,
ওনার কাজ দেখে আমার দেশ
এর আর্মি দের প্রতি সন্মান আরও বেরে
গেল সমরে আমরা, শান্তিতে আমরা,
সর্বত্র আমরা দেশের তরে
|
|
এটা আমার জীবন এর সাথে এক দম মিলে যাই।
জীবনে মোটামুটি সব শ্রেণীর মানুষের সাথে মেলামেশা হয়েছে। তার মধ্যে বিশ্লেষণ করে দেখলাম মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষগুলোর জীবন রোমাঞ্চক। আমি নিজে একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। মাসের ২০ তারিখ কাগজেভর্তি মোটা মানিব্যাগে আছে আর ১৯৩ টাকা। সে জানে কিভাবে অনায়াসে বাকি ১৩ বা ১৪ দিন চালানো যায়। সে তপ্ত রোদের মধ্যে ঘামে ভেজা শার্ট পরে হাঁটতে পারে। কারণ সে জানে ২০ টাকা রিক্সা ভাড়ার মূল্য কত। সে রাস্তার পাশের টং এর বাসি বনরুটি আর পানসে চা খেতে পছন্দ করে। পৃথিবীর সহজলভ্য খাবার এটি। মোবাইলে ২ টাকা নিয়ে চলতে পারে ৫ থেকে ১০ দিন। ২ টাকা মাকে মিসকল দেয়ার জন্য। মাঝেমধ্যে মায়ের আওয়াজটা খুব শুনতে ইচ্ছে করে তাই। ঘুম থেকে দুপুর ১টায় উঠে যাতে সকালের নাস্তা খেতে না হয়। তাই বলে ভাববেন না আমরা অভাবে নিমজ্জিত। আমরা যেমন কেএফসি-তে খেতে পারি ঠিক তেমনি রাস্তার পাশের সস্তা হোটেলেও খেতে পারি। আমাদের সীমাবদ্ধতা নেই। আমরা জীবন নামক পার্থিব জিনিসটাকে খুব কাছ থেকে দেখতে পারি, উপভোগ করতে পারি, ছুঁতে পারি, অনুভব করতে পারি। |
সিগারেটের দাম যেই
হারে বাড়ছে কয়দিন পরএই অবস্থা হবে। ★রাস্তা দিয়ে এক লোকতার ছোট ছেলেকে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছে ।এমন সময় দেখলো সামনে এক লোক বসে সিগারেট টানছে। বাবা ছেলেকে বলল 'ওই লোকটারে সালাম দিবি ' ছেলে জানতে চাইলো ' কেন বাবা?' বাবার উত্তর ' দেখস না সিগারেট খায় অনেক বড়লোক, দে সালাম দে ' । ★ আবুল তার আত্মীয়ের বাড়ি ঘুরে এসে বন্ধুর সাথে কথা বলছে । আবুল : জানস আমি যাগো বাসায় গেলাম ওরা কতো বড়লোক। বন্ধু : কেন বহুত খানাপিনা করাইসেমনেহয়। আবুল : হ দোস্ত পুরাই বড়লোকি খানাপিনা। বন্ধু : কি খাওয়াইলো দোস্ত? আবুল : সিগারেট, পুরা দুইটা তাও আবার বেনসন। বুঝো ঠেলা। ★ একলোক মার্সিডিজ গাড়ি নিয়ে বারে গেছেতখন তাকে বারটেন্ডার বললো ' স্যার, আকিজ বিড়ি দেবো নাকি?' । লোকটার জবাব, ' আমাকে কি দুই টাকারফকির মনে হয়, দে বেনসন দে '। বারটেন্ডার : কয়টা স্যার? লোক : আজকে বেশি টাকা নাই একটাই দে। বুঝেন যেই দিনই আসছেসামনে। তবে আমি মনে প্রানে চাই সিগারেটের দাম আরও বাড়ুক |
|
|
|
|
এক সদ্য মাদকাসক্ত ছেলে বাড়ী ফিরেছে।
কোনভাবেই যেন বাবা টের না পায় সেজন্য খুব সতর্ক। দরজা খুলে দিতেই সে এ্যাজ ইউজুয়াল সালাম দিলো। তারপরে দরজা দিয়ে দিলো। বেশী রাত হয়েছে বলে তার বাবা কটমট করে তাকিয়ে আছে কিন্তু বকাবকি করছে না। বললো, ভাত খেয়ে নাও! ছেলেটি গিয়ে টেবিলে বসেছে। রগচটা বাবা দাঁড়িয়ে আছে পাশে। ভয়ে ভয়ে সে খুব সতর্ক ভাবে ভাত নেয়, তরকারী নেয়, তারপরে ঠিকঠাক মত খেতে থাকে।
এরপরে ডাল নেয়, ডাল দিয়ে খেতে থাকে।
এবার বাবার দিকে তাকিয়ে দেখে বাবা চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে।
ছেলেটি খুঁজে পায় না সে কি ভুল করেছে। যেই
খাওয়া শেষ হয়েছে, - বাবা এসে মারলো জোরে একটা থাপ্পর।
বললো,"হারামজাদা, তুই যে ভাত খেয়েছিস,
প্লেট কই? |
ডিজিটাল যুগের মিথ্যা কথা:
মোবাইল রিসিভ না করলে: দোস্ত মোবাইল সাইলেন্ট ছিল। খেয়াল করি নাই। কথা বলতে ইচ্ছে না করলে: দোস্ত আম্মু ডাকতেছে পরে কথা বলবো. . . কথা বলতে বিরক্ত লাগলে: আমার আর একটা ফোন আসছে,আমি একটু পর ফোন দিচ্ছি। মেসেজের রিপ্লাই না দিলে: দোস্ত মোবাইলে টাকা ছিলনা। ফোন করার পর ভয়েস না চিনলে: আমার মোবাইল হারাইছে। নতুন সেটে কারো নম্বর সেভ করা নাই। ফেসবুকে চ্যাটিং এ নক করার পর উত্তর না দিলে: নেট কানেকশান চলে গিয়েছিল। স্যরি.... প্রেমিক প্রেমিকার কথার মধ্যে প্রাক্তন কারো ফোন এলে: এই কাটো কাটো বাসা থেকে ফোন আসছে. . . গভীর রাতে গার্লফ্রেন্ড এর মোবাইল ওয়েটিং পেলে: আর বলোনা,কাল এসাইনমেন্ট জমা দেয়ার শেষ দিন। ডিপার্টমেন্টের বান্ধবীর সাথে কথা বলছিলাম। পরীক্ষার সময় কিছু জিজ্ঞেস করলে: দোস্ত কাল সারাদিন ফেসবুকে চ্যাট করছি,কিছু পারিনা। এটা আপনার লেখা? আমিতো ভাবলাম কোন গানের লাইন. . . |
|
ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে। এমন সময় তিনজন
লোক ট্রেনের দিকে দৌড়ে আসছে দেখে করিত্কর্মা গার্ড টেনে-হিঁচড়ে তাদের মধ্য থেকে দু’জনকে তুলতে পেরেছে। ট্রেনের গতি বেড়ে যাওয়ায় বাকিজনকে তুলতে পারেনি। গার্ড : ব্যাপার কী! এত কষ্ট করে তিনজনকে তুলতে না পারলেও দুজনকে তো তুলেছি, অথচ আপনারা একটুও ধন্যবাদ দিচ্ছেন না যে? লোক দু’জন : ধন্যবাদ দিই কী করে! যেইজনকে ফেলে এসেছেন, আসলে উনিই ছিলেন যাত্রী। আর আমরা এসেছিলাম ওনাকে ট্রেনে উঠিয়ে দিতে। |
পুলিশ : তুমি কোথায় থাকো..?
বল্টু : আমার বাবা মা এর সাথে..
পুলিশ : তোমার বাবা মা কোথায় থাকেন..? বল্টু : আমার সাথে.. পুলিশ : তোমরা সবাই কোথায় থাকো..? বল্টু : একসাথে
পুলিশ : উফফ তোমার বাসা কই..?
বল্টু: আমার প্রতিবেশীর বাসার পাশে..
পুলিশ : তোমার প্রতিবেশীর বাসা কোথায়..?
বল্টু : আপনারে যদি বলি আপনি বিশ্বাস
করবেন না...
পুলিশ : আরে ভাই আগে বল কই..?
বল্টু : আমার বাসার পাশে.. |

0 comments:
Post a Comment